0
30

করোনা : ফুসফুসে সংক্রমণ,সতর্কতা জরুরি ( Aahana )

করোনার কারণে একেক মানুষের শরীরে একেক ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়। কিন্তু করোনা যদি তীব্র আকার ধারণ করে তখন ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এ জন্য লক্ষণের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে,কারণ মৃদু লক্ষণ তীব্র সংক্রমণের দিকে ঠেলে দেয়।এখন প্রশ্ন হলো,কিভাবে করোনা সংক্রমণ হালকা থেকে তীব্র হতে পারে।করোনার কারণে ফুসফুসে সংক্রমণ খুব বড় একটি সমস্যা।দীর্ঘদিনের ফুসফুসের সংক্রমণ নিউমোনিয়া তৈরি করে, যা পরবর্তী সময়ে মৃত্যুর কারণ হয়।জন হপকিন্সের প্রকাশিত একটি আর্টিকলে দেখা যাচ্ছে ,করোনার প্রাথমিক লক্ষণে বোঝা যাবে অসুস্থতার ধরন।অর্থাৎ করোনার লক্ষণ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।করোনার প্রধান লক্ষণের একটি হলো শুকনো কফ। তবে এই শুকনো কাশি যদি দু থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেও ঠিক না হয়, তবে তা চিন্তার বিষয়। এত দিন কাশি থাকার অর্থ হলো তা ফুসফুসেও সংক্রমণ হতে পারে।অক্সিজেন যখন ফুসফুসে পৌঁছতে পারে না, তখন শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।করোনা যাদের মধ্যে তীব্র আকার ধারণ করে,তাদের শ্বাসকষ্ট হয়, বুকে চাপ অনুভূত হয়। অনেকের করোনা সেরে যাওয়ার পর শ্বাসকষ্ট হয় তাদের ফুসফুসে সংক্রমণের যথেষ্ট আশঙ্কা থাকে।বুকে ব্যথা হওয়া ফুসফুসে সংক্রমণের অন্যতম একটি লক্ষণ। এতে করে ফুসফুসের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। ব্যথা হালকা হোক বা বেশি হোক তা ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।এর বাইরে,বুকে ব্যথা ও  ফুসফুসের সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে অন্যান্য অসুস্থতা দেখা দেয়। টিস্যুতে সংক্রমণ হতে পারে । এ থেকে ফুসফুসের টিস্যুতে স্থায়ী সংক্রমণও দেখা দেয়।