
রাত গড়াতে নিয়ন্ত্রণে মহেশতলা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা থেকে শুরু করে এডিজি সাউথ বেঙ্গল সুপ্রতিম সরকার সর্বোচ্চ পর্যায়ের পুলিশ কর্তারা যখন রবীন্দ্রনগরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন তখন সেখানে জারি করা হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধরা অর্থাৎ আগের ১৪৪ ধারা।
দিনের আলো কমতেই পুলিশকে দেখা গিয়েছে মাইক নিয়ে ৫ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করতে। ততক্ষণে খবর গাড়ি ভাঙচুরের পর গুরুতর আহত হয়েছেন ডিসি পোর্ট, মেটিয়াবুরুজের অ্যাডিশনাল ওসি, কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট এবং মহিলা কনস্টেবল সহ বেশ কয়েকজন। যারমধ্যে ডিসি পোট হরিকৃষ্ণণ পাই অবস্থা গুরুতর। এদিকে মহেশতলার ঘটনা নিয়ে পুলিশের অন্দরেই প্রশ্ন উঠেছে। কালো রাস্তা ভাঙা ইটের টুকরোয় লাল হয়ে গিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা জমায়েতের খবর আসা সত্ত্বেও যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশ কেন মোতায়েন করা হয়নি তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লা ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে বর্ণনা করলেও যেভাবে পুলিশের কম সংখ্যক উপস্থিতি দেখে ইট বৃষ্টি হয়েছে তাতে অন্য সম্ভবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কোনওরকম প্ররোচনায় এই ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে যেভাবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষিত বাহিনীর বাস ভাঙচুর করা হয়েছে তাতেও উদ্বিগ্ন পুলিশ কর্তারা। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে আরও আগে কাঁদানে গ্যাস চালানো উচিত ছিল কিনা তা নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
সেই সঙ্গে উঠে আসছে থানা থেকে মাত্র ২০০ মিটারের মধ্যে এতবড় ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বিষয়টিও। তা নিয়ে ইঙ্গিত করেছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
