
ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় অবৈধ বালি ও কালো পাথর উত্তোলন বিক্রির সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সাম্প্রতিক অভিযানে ফের সামনে এসেছে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার ছবি।
ভুবনেশ্বর জোনাল অফিসের নেতৃত্বে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট,পিএমএলএ, অনুযায়ী জেলার একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালিয়ে আলমারি ও স্টিলের ক্যাবিনেট থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। সঙ্গে মিলেছে বেনামি বিলাসবহুল গাড়ি, স্থাবর সম্পত্তির নথি, খনির লিজ সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং বিপুল পরিমাণ সন্দেহজনক দলিল। ইতিমধ্যেই সেগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডির এই অভিযানের ছবি মনে করিয়ে দিচ্ছে ‘২২ সালের জুলাই মাসে পশ্চিমবঙ্গে হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়–অর্পিতা মুখোপাধ্যায় মামলার সেই দিন-রাত এক করা তল্লাশির কথা। ২২ জুলাই টালিগঞ্জের ডায়মন্ড সিটি আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল নগদ ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা, সঙ্গে ৫৬ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা ও ৭৬ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। ওই ঘটনার পরেই ইডি ইঙ্গিত দিয়েছিল, তদন্ত এগোলে আরও কয়েক গুণ সম্পত্তির হদিস মিলতে পারে।গঞ্জামের সাম্প্রতিক অভিযানে উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা ও সম্পত্তির বহর এখনও চূড়ান্ত ভাবে প্রকাশ না পেলেও, সেখানকার বাজেয়াপ্ত সম্পদের পরিমাণ পার্থ–অর্পিতা মামলার সঙ্গে মোটেই তুলনীয় নয়।
দু’টি ক্ষেত্রেই একই ছবি দেখা গিয়েছে বটে, কিন্তু বঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির ব্যাপকতা, ওড়িশায় অভিযানকে ছাপিয়ে উঠতে পারেনি।ইডি সূত্রের দাবি, এক্ষেত্রে একটি আলমারি থেকেই প্রায় ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে, যদিও চূড়ান্ত হিসাব ও বিস্তারিত তথ্য অভিযান শেষের পর প্রকাশ করা হবে।








