
পঞ্চমীতেই ষষ্ঠী তিথিতে পা, রীতি মেনে পঞ্চমীর সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে দেবীর বোধন। এরই মধ্যে দুপুরে পেটপুরে খাওয়াদাওয়ার মধ্যে সন্ধে নামতেই তিলধারণের জায়গা নেই কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র।
কাতারে কাতারে মানুষের ঢল নেমেছে কলকাতার নামী-অনামী প্রায় সবপুজো মণ্ডপে। হাতে এখনও পুজোর বাকি পাঁচদিন। পঞ্চমীর সন্ধ্যায়তেই আনন্দ চেটেপুটে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন আপামর জনতা। উত্তরের টালা প্রত্যয়, টালা বারোয়ারি, হাতিবাগান নবীন পল্লি, নলিন সরকার স্ট্রিট , জগৎ মুখার্জি পার্ক, কুমোরটুলি পার্ক হোক কিংবা কুমারটুলি সর্বজনীন, শ্রীভমি, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, কিনবা দক্ষিণের সুরচি সংঘ, চেতলা অগ্রণী, একডালিয়া কিংবা ত্রিধারা, সব পুজোমণ্ডপে ছবি প্রায় একই মানুষের কালো মাথা। শহরের অন্যান্য পুজোর মধ্যে বালিগঞ্জের ২১ পল্লির ভাবনা সংবহন নজর কেড়েছে মানুষের। রাত বাড়লেও মনে হয়েছে সবে সন্ধে নেমেছে। রাজপথে ভিড়কে নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যত নাজেহাল হতে হয়েছে পুলিশকে। এদিকে, পঞ্চমী গড়িয়ে ষষ্ঠী পড়ে গেলেও এখনও বায়না নেই অধিকাংশ ঢাকিদের।
শিয়ালদহ স্টেশনে তাই ঢাকের বাদ্যির বোল তুললেও খানিক মনমরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আশা ঢাকিরা।
