কুম্ভ : পদপিষ্টে মৃত বিজয়গড়ের প্রৌঢ়া,  শালবনিরও   

0
128
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
ছেলে, মেয়ে ও নিজের বোনের সঙ্গে বিজয়গড়ের প্রৌঢ়া বাসন্তী পোদ্দার মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন পুণ্যস্নানে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৌনী অমাবস্যার দিন আচমকা হুড়োহুড়ি শুরু হলে বাসন্তী দেবী কোনওভাবে পড়ে যান।
তখনই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে এবং তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার ছেলের অভিযোগ, এত ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য যে পরিমাণ পুলিশ দরকার তা ছিল না ঘটনাস্থলে। নিরাপত্তায় গাফিলতির জন্যই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তাঁর। মৃতার ছেলে জানিয়েছেন, দেহের ময়নাতদন্ত হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের একটি কাগজ দিয়েছে, যাতে বলা হয়েছে যে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই মায়ের দেহ কলকাতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তাঁরা। স্থানীয় কাউন্সলর তপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, মৃতদেহের অবস্থা ভাল নয়, তাই যতটা দ্রুত সম্ভব তা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছে, পুলিশের একটি টিম ইতিমধ্যে ওই প্রৌঢ়ার বাড়িতে গেছে এবং পরিজনদের সঙ্গে কথা বলেছে। এদিকে স্থানীয় কাউন্সিলর তাপস চট্টোপাধ্যায় এই ঘটনায় সরাসরি যোগী সরকারের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দেহের ময়নাতদন্ত পর্যন্ত করা হয়নি, কোনও ডাক্তারকে দিয়ে দেহ পরীক্ষাও করা হয়নি। শুধু একটি কাগজ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই সরকার খালি হিসেব করছে কত লক্ষ কোটি টাকা লাভ হবে কুম্ভমেলা থেকে, মানুষের জীবনের কোনও মূল্য নেই তাঁদের কাছে। এমনই অভিযোগ তাঁর। এদিকে,  মেদিনীপুরের এক প্রৌঢ়ারও মহাকুম্ভে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
খড়গপুর থেকে দুই মেয়ে-জামাই, বউমা এবং এক নাতনিকে নিয়ে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন প্রয়াগরাজে। তবে ত্রিবেণী সঙ্গমের সামনে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির বাসিন্দা বছর ৭৮-এর উর্মিলা ভুঁইয়া।