
গুজরাটে বন্যা পরিস্থিতিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬। এরমধ্যেই আরও এক নতুন দুর্যোগের প্রহর গোনা শুরু হয়েছে রাজ্যে।
আরবসাগরের উপর একটি গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। যেটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মৌসম ভবন। শুক্রবার থেকেই দেশের পশ্চিম উপকূলে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। রাজ্যের সাতটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। তারমধ্যে রয়েছে, কচ্ছ, জামনগর, মোরবী, দেবভূমি দ্বারকা, পোরবন্দর।ইতিমধ্যেই গুজরাটজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে এবং গাছ পড়ে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় কচ্ছের মান্ডবীতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি পরিমাণ ছিল৩৮১ মিলিমিটার। ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে দ্বারকা, গান্ধীধাম, ভুজ, লাখপতে। কচ্ছ অঞ্চলে ১৭৭ শতাংশের বেশি বৃষ্টি হয়েছে। তারপর রয়েছে সৌরাষ্ট্র অঞ্চল। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১২৪ শতাংশ। দক্ষিণ গুজরাতে ১১১ শতাংশ। প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।
