
বৈষ্ণোদেবীতে ভয়াবহ ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বৈষ্ণোদেবী যাত্রার অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সে রাজ্যের সরকার। উল্লেখ্য, বৈষ্ণোদেবী মন্দির পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিংহ।
বৃহস্পতিবার জম্মু ও কাশ্মীরের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরী লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে সরাসরি আক্রমণ করে বলেছেন, যখন জম্মু সম্পূর্ণরূপে ডুবে গিয়েছল, তখন উনি বিহার এবং উত্তরপ্রদেশে কর্মসূচি পরিচালনা করছিলেন। যখন পহেলগাঁও হামলা হয়, তখন উনি ছিলেন দিল্লিতে। মচৈল যাত্রা থেকেও উনি কোনও রকম শিক্ষা নেননি। যখন বৈষ্ণোদেবীতে আগে থেকেই দুর্যোগের সতর্কতা জারি ছিল, তখন কেন সেখান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি। প্রশ্ন তুলেছেন সুরেন্দ্র চৌধুরী। এর আগে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
দুর্যোগের সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও আধিকারিকেরা কেন বৈষ্ণোদেবী যাত্রা বন্ধ রাখেননি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই পুণ্যার্থী। তাঁদের মধ্যে পঞ্জাব, দিল্লি, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দারাও রয়েছেন। নিহতদের পরিবারপিছু ৯ লক্ষ আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা করা হয়েছে।
