
এখনও অতি ভয়ঙ্কর পর্যায়ে রয়েছে দিল্লি দূষণ। এই পরিস্থিতিতে অর্ধেক সরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি সরকার।
বুধবার থেকেই বলবৎ হয়েছে নতুন নিয়ম। দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই ঘোষণা করেছেন, দূষণ কমাতে ৫০ শতাংশ সরকারি কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি সরকার। মঙ্গলবারই রাজধানীতে কৃত্রিম বৃষ্টি চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগে দিল্লিতে কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর জন্য অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাড়া মেলেনি। তাই এবার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন দিল্লির মন্ত্রী। দূষণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই দিল্লির সমস্ত স্কুলে অনলাইন মাধ্যমে পঠনপাঠন শুরু হয়েছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলিতেও আপাতত অনলাইনে চলবে পঠনপাঠন।অন্যদিকে, রাজধানীতে দৃশ্যমানতা কম থাকার জন্য বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন। আংশিক ব্যাহত হয়েছে বিমান পরিষেবাও।তবে বুধবার আগের থেকে কিছুটা কমেছে দিল্লির বাতাসের গুণমাণ সূচক। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য বলছে, বুধবার সকালে রাজধানীর বাতাসের গুণমান সূচক নেমে এসেছে ৪২২-এ। তবে এখনই বিপদ কাটছে না। এদিন সকাল থেকেই ঘন ধোঁয়াশার চাদরে ঢেকেছে দিল্লি এবং সংলগ্ন অঞ্চল। দৃশ্যমানতাও যথেষ্ট কম।
দিল্লির দূষণ মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। চালু করা হয়েছে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৪ বা জিআরএপি ৪।
