
দিল্লি বিধানসভা ভোটে গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে আপ। ২৭ বছর পর দিল্লির মসনদে ফিরেছে বিজেপি।
৭০ আসনের বিধানসভায় বিজেপি জিতেছে ৪৮ আসনে, ২২ আসন পেয়েছে আপ। হারের হ্যাট্রিক বজায় রেখে শূন্য হয়ে রয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। পরিসংখ্যান বলছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র দুই শরিক আপ এবং কংগ্রেসের ভোট কাটাকাটির ফলে ১৪টি আসনে জয় নিশ্চিত করে নিয়েছে বিজেপি। শেষ পর্যন্ত ওই ১৪ আসনই দিল্লির ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে নির্ধারক ভূমিকায় উঠে এসেছে। আপের দুই প্রথম সারির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মণীশ সিসৌদিয়া পরাস্ত হয়েছেন বিজেপি-র কাছে। ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট কাটাকাটি না হলে দুই নেতারই জেতার সুযোগ ছিল। নয়াদিল্লি বিধানসভা কেন্দ্রে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল পরাস্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৯ ভোটে। ওই আসনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের পুত্র সন্দীপ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৬৮ ভোট। সন্দীপের প্রাপ্ত ভোট আপের ঝুলিতে গেলে খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারতেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জঙ্গপুরা বিধানসভা কেন্দ্রে ৬৭৫ ভোটে পরাজিত হয়েছেন আপ নেতা মণীশ সিসৌদিয়া। সেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৭ হাজার ৩৪০ ভোট। সেখানে কংগ্রেসের ভোটের সামান্য কিছু অংশও আপের ঝুলিতে গেলে জয়ী হতেন সিসৌদিয়া। এ ছাড়া তিমারপুর, বাদলী, নাঙ্গলোই দজাট, মাদীপুর, রাজেন্দ্রনগর, কস্তুরবানগর, মালব্যনগর, মহরৌলী, ছত্রপুর, সঙ্গমবিহার, গ্রেটার কৈলাস এবং ত্রিলোকপুরীতেও গণনা-পরবর্তী পরিসংখ্যান এমনই।
কস্তুরবানগরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। সেখানে ১১ হাজারের কিছু বেশি ভোটে পরাস্ত হয়েছে তারা। ওই আসনে আপ পেয়েছে সাড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি ভোট।
