
ভারতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে এসে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী খলিফা শহিন আল মারার। দুই সদস্য রাষ্ট্রের এই প্রকাশ্য সংঘাতে অস্বস্তিতে পড়ে নয়াদিল্লি।
শেষমেশ রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। তাঁর মধ্যস্থতায় দুই নেতা শান্ত হন। এদিকে ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিনিধিকে পাশে নিয়েই হরমুজ প্রণালী সম্পর্কে কঠোর বার্তা দিয়েছে ভারত। কোনও দেশের নাম উল্লেখ না করে হরমুজ়ে স্থিতিশীল পরিস্থিতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। ব্রিকসের প্রাথমিক সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে রয়েছে ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৪ সালে মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই জোটে যোগ দেয়।
২০২৫ সালে ব্রিকসে যুক্ত হয় ইন্দোনেশিয়া। এ বছর ভারতে সেই জোটের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তেহরান এবং আবু ধাবির সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করার পর থেকে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল তেহরান। তাতে একাধিক হামলা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। ফলে এই দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ব্রিকসের মঞ্চ থেকে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সুসংগঠিত কোনও সম্মিলিত বার্তা দিতে পারেনি সদস্য রাষ্ট্রগুলি।





