
ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দাবিকে এই দুই শব্দে কটাক্ষ করে উড়িয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লিতে বাঙালি মা ও শিশুকে হেনস্থা করার যে অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা খারিজ করেছেন পূর্ব দিল্লির ডিসিপি অভিষেক ধানিয়া। বীরভূম থেকে ভাষা আন্দোলনের সূচনার দিনে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাতে দেখা গিয়েছিল, তার দেড় বছরের শিশু ও স্ত্রীকে কীভাবে মেরেছে দিল্লি পুলিশ, সেই বর্ণনা দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। সেই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করেই বিজেপির দিকে তোপ দেগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, এই দেশে বাঙালিদের বিরুদ্ধে বিজেপির শুরু করা ভাষা সন্ত্রাসের হিংসা থেকে পরিত্রাণ পেল না একটা শিশুও। এরপরই একটি সাক্ষাৎকারে মুখ্য়মন্ত্রীর সেই দাবি খারিজ করে পূর্ব দিল্লি পুলিশের ডিসিপি অভিষেক ধানিয়া বলেছেন, স্থানীয় গোয়েন্দার মাধ্যমে সেই ভিডিয়োর ভিত্তিতে তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশ। নানা প্রযুক্তিগত পরীক্ষানিরিক্ষাও করা হয় এবং সেই ভিত্তিতেই একাধিক প্রমাণ জড়ো করে তদন্তকারী দল। তাঁর সংযোজন, সেই প্রমাণ নথির ভিত্তিতে আমরা ওই ভিডিয়োয় দেখানো পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখনই আসল সত্যিটা বেরিয়ে আসে। জানা যায় ওই পরিবার ভিডিয়োটা তৈরি করেছিল তাদের এক আত্মীয়র কথায়। যাকে আবার নির্দেশ দিয়েছিল মালদহের এক নেতা। এই ভিডিয়ো সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, এই পুরো ঘটনাটা তৃণমূল কংগ্রেস পরিকল্পনা করে করেছেন। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে তারা নিজের মতোই স্বেচ্ছায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনও পুলিশ তাদের উপর চড়াও হয়নি। এক্স পোস্ট : সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।
