
বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করলেই এবার অভিবাসীরা পড়তে পারেন বিতাড়নের ঝুঁকিতে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এক নীতির ফলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে। রিপোর্ট অনুযায়ী,যেসব অভিবাসীর বৈধ কাগজপত্র নেই কিন্তু স্ত্রী বা স্বামীর মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন থেকে সরাসরি বিতাড়নের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে মার্কিন ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
নতুন এই নির্দেশ এসেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস থেকে। জারি হওয়া এই নীতিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।শুধু স্বামী-স্ত্রী নয়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পেতে চাওয়া অভিবাসীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এই নির্দেশ। ইউএসসিআইএসের পলিসি ম্যানুয়ালে বলা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা অভিবাসনের আবেদন করলেও সেটি বৈধতা দেয় না কিংবা বিতাড়নের হাত থেকে রক্ষা করে না।
সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, যেসব আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং যেগুলো চলতি বছরের ১ আগস্ট বা তার পর জমা পড়বে,সব আবেদনেই নতুন এই নীতি প্রযোজ্য হবে।এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বিয়ের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়ার রাস্তাকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।







