
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি সংবিধান ভঙ্গ করেছেন বলে থাইল্যান্ডের একটি আদালত রায় দিয়েছে।
ফলে তিনি আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টিকে নিষিদ্ধ করে দেয় একই আদালত। দলটির নেতাদের রাজনীতি থেকে ১০ বছর নিষিদ্ধও করা হয়।উল্লেখ্য প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি গত বছরের সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। আদালতের এমন রায়ের কারণে আরো রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল থাইল্যান্ড।ব্যাঙ্ককের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন একজন জেলখাটা আইনজীবীকে সরকারের দায়িত্বে নিয়োগ করে নৈতিকতা ভঙ্গ করেছেন। আদালতের ৯ বিচারকের মধ্যে পাঁচজন,প্রধানমন্ত্রী স্রেথাকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন। তিনি জেনেশুনে একজন নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে তারা জানিয়েছেন। পিচিট চুয়েনবান নামের যে আইনজীবীকে সরকারে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কাছের লোক ছিলেন।








