
ভারতীয় লেগ-স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে তার স্ত্রী ধনশ্রী ভার্মার। দুজনের বনিবনা হচ্ছিল না বহু সময় ধরেই। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পর সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন এই জুটি।বিচ্ছেদের পর গ্ল্যামার জীবনে ব্যস্ত হয়েছেন ধনশ্রী।তবে বিচ্ছেদ হলেও প্রায়ই চাহালের প্রসঙ্গ উঠে আসে ধনশ্রীর জীবনে।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে আবারও চাহালকে নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।পডকাস্ট,স্পিল দ্য টি-তে ধনশ্রী বলেছেন, ডিভোর্স কোনো উদযাপনের বিষয় নয়। এটা কোনো আনন্দের মুহূর্ত নয়,বরং অত্যন্ত দুঃখজনক ও আবেগঘন এক ঘটনা।মানুষকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। বিষয়টি শুধু দুজন মানুষের নয়, বরং তাঁদের পরিবারকে জড়িয়েও তৈরি হয় এক টানাপড়েনের।যে পরিবার আমাদের সত্যিকারের ভালোবাসে ও যত্ন নেয়।তিনি আরও বলেছেন, মনে করেন, দাম্পত্য জীবনের প্রকৃত দুঃখ ও অশান্তি দুজনেরই বোঝা এবং স্বীকার করা দরকার।বিয়ে ভালোবাসা দিয়ে শুরু হলেও, শেষ হয় প্রায়ই অবিশ্বাসে। তাঁদের বিচ্ছেদ ঘোষণার দিনটা ছিল ভীষণ আবেগপূর্ণ। তাঁর জন্য, তাঁর পরিবারের জন্য এবং আশেপাশের সবার জন্য। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলেও, রায় ঘোষণার আগে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। সবার সামনে হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন।বিবাহবিচ্ছেদ শুনানিতে চাহালের পোশাক নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। চাহাল সেদিন পরেছিলেন একটি কালো টি–শার্ট, যাতে লেখা ছিল,নিজেই নিজের সুগার ড্যাডি হও। এই পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। অনেকেই মনে করেন, এটি ধনশ্রীর উদ্দেশে সূক্ষ্ম খোঁচা চাহালের।স্বভাবতই পডকাস্টে ধনশ্রী চাহালের টি–শার্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি পেছনের দরজা দিয়ে বের হন, কারণ মিডিয়ার মুখোমুখি হতে চাননি। ধনশ্রী সেদিন শুধু একটা সাধারণ টি–শার্ট আর জিনস পরেছিলেন। গাড়িতে বসে তখনো শ্বাস সামলানোর চেষ্টা করছিলেন। বুঝে ওঠার আগেই মানুষজন ওই ঘটনাকে ঘিরে তাঁর দিকেই আঙুল তুলতে শুরু করে। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল, সব শেষ হয়ে গেছে।কোথাও না কোথাও খারাপও লেগেছিল।





