প্রয়াত ধর্মেন্দ্র, বলিউডের হিম্যান 

0
90
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

তিনি ছিলেন বলিউডের হিম্যান। আক্ষরিক অর্থে হিন্দি সিনেদুনিয়ার পয়লা ,মাচোম্যান।

পর্দায় যেমন দুঃসাহসের সঙ্গে গব্বরে’র সঙ্গে লড়েছিলেন, বাস্তবেও ঠিক তেমনই দাপুটে ধর্মেন্দ্র ওরফে ধরম সিং দেওল।যিনি মুম্বইয়ের অপরাধজগৎকেও এক ফোনে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন।সত্তরের দশকে তখন মায়ানগরী হাজি মস্তান, করিম লালাদের মতো খতরনাক গ্যাংস্টারদের ভয়ে কাঁপছে,সেসময়ে দাঁড়িয়ে ধর্মেন্দ্র মুখের উপর বলেছিলেন, আমাকে ভয় দেখিও না, বিপদে পড়ে যাবে।তোমরা দশটা লোক পাঠালে, আমার জন্য পাঞ্জাব থেকে ট্রাকভর্তি লোক আসবে। এমন ঘটনাই বলে দেয়, ধর্মেন্দ্রর ব্যক্তিত্ব কেমন ছিল? অভিনয়ের পাশাপাশি যিনি রাজনীতির ময়দানেও বলিষ্ঠ মন্তব্যে কখনও হাততালি কুড়িয়েছেন, আবার কখনও বা বিতর্ক-সমালোচনা সঙ্গী হয়েছে তাঁর।ধর্মেন্দ্রর আট দশকের গৌরবময় আখ্যানের একটা ছোট্ট অংশজুড়ে রয়েছে তাঁর রাজনৈতিক ইনিংস। ২০০৪ সালে বিজেপির শাইনিং ইন্ডিয়া ক্যাম্পেইনে যোগ দিয়ে গেরুয়া শিবিরের সদস্যপদ পান,শোলে’র বীরু।সেবছরই রাজস্থানের বিকানের থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির টিকিটে লোকসভা নির্বাচনে জিতে সাংসদ পদপ্রাপ্তি ঘটে ধর্মেন্দ্রর।এমনকী লালকৃষ্ণ আডবানির মতো বলিষ্ঠ রাজনীতিবিদের প্রিয়পাত্রও হয়ে ওঠেন তিনি।শোনা যায়, নির্বাচনী প্রচারে হাইভোল্টেজ বক্তৃতার জেরে রাজনৈতিক দুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন।তবে বিতর্কিত এক মন্তব্যের জেরে গেরোয় পড়তে হয় অভিনেতাকে। রাজস্থানে ভোটপ্রচারের সময়ে ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, গণতন্ত্রের মৌলিক শিষ্টাচার শেখানোর জন্য তাকে একনায়ক হিসেবে নির্বাচিত করা উচিত।

আর সেই মন্তব্যের জেরেই বিরোধী শিবিরের কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাঁকে। প্রশ্ন ওঠে, ধর্মেন্দ্র কি একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসী?