
সইফ আলি খানের বাড়ির ১০ তলার স্নানঘরে লুকিয়ে ছিলেন ধৃত সন্দেহভাজন শরিফুল ইসলাম শেহাজাদ। ঘটনার পুনর্নির্মাণে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছে মুম্বই পুলিশ।
ধৃত শরিফুল ইসলাম শেহাজাদকে নিয়ে যাওয়া সইফ আলি খানের বান্দ্রার বাড়ি সৎগুরু শরণে। সেখানেই ধৃত দাবি করেন, প্রথমে অভিনেতার বাড়ির ১০ তলার স্নানঘরে ঢুকে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। তারপর এসি-র নিষ্কাশন নালির সাহায্যে উপরে উঠে পড়েন।ওই আবাসনের তিনটি তলা নিয়ে সইফ আলি খান-করিনা কাপূরের বাস। আবাসনের অন্য বাসিন্দারাও সমাজের গণ্যমান্য। এমন অভিজাত আবাসনের মূল গেটে কি রক্ষী ছিলেন না, ছিল না সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রশ্ন উঠছে কী ভাবে ওই অভিজাত আবাসনে ঢুকে পড়লেন শরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে তদন্তের পর পুলিশে দাবি, অভিনেতা বাড়ির আপৎকালীন দরজায় সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় থাকলেও মূল গেটের ক্যামেরাগুলি ছিল অকেজো। কিন্তু এমন আবাসনে দিনের পর দিন সিসিটিভি ক্যামেরা কেন খারাপ হয়ে রইল একা শরিফুল ইসলামই কি ঢুকেছিলেন, তিনি একাই কি এত কিছু করলেন না কি নেপথ্যে অন্য কেউ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
যদিও ধৃত শরিফুল ইসলাম নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি দাবি করেছেন, তিনি নাকি জানতেনই না কার বাড়িতে ঢুকেছেন।





