
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে ভোটেও আটকানো গেল না অশান্তি। বেলা গড়াতেই হেঁড়িয়া, কোলাঘাট সহ দিকে দিকে অশান্তি শুরু হয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রামনগরে হাতাহাতিতে জড়িযয়ে বিজেপি-তৃণমূল।
বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দিচ্ছে। প্রতিবাদ করায় বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। এরপরেই ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে পথ অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলতে গেলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। রামনগর কলেজে কাঁথি সমবায় ভোট কেন্দ্রে বিজেপি কর্মীদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ভোটার স্লিপ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মারধর করা হয় বিজেপি কর্মীদের। বাধা দিলে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় কাঁথি সমবায়ে ১০৮ আসনে ভোট শুরু হয়। প্রত্যেক বুথে সিসি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এই সমবায়ে ভোট শেষ হয়েছিল ২০১৫-য়। তখন চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দু অধিকারি।
এই সমবায়ে পরিচালন সমিতির মেয়াদ শেষ হয় ২০২২-এ। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভেঙে দেওয়া হয় কাঁথি ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতি। মামলার কারণে স্থগিত ছিল সমবায় নির্বাচন।
