
এবার কলকাতা সরাসরি রেলপথে সংযুক্ত হবে মিজোরামের সঙ্গে। সেইসঙ্গে গুয়াহাটি, এবং আনন্দ বিহারের সঙ্গেও সাইরাং যুক্ত হবে। নতুন তিনটি রেলপথের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার ৫১ দশমিক ৩৮ কিলোমিটারের বৈরবী-সাইরাং রেললাইনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আর সেই রেললাইনের সুবাদে প্রথমবার ভারতের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে গেল মিজোরামের রাজধানী আইজল।আর সাইরাং থেকে আইজলের দূরত্ব হল ২০ কিলোমিটার। সেইসঙ্গে রাজধানী এক্সপ্রেস-সহ তিনটি ট্রেনেরও উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এতদিন অসম-মিজোরাম সীমান্তের বৈরবী পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করত। সেই ট্রেন এবার পৌঁছে যাবে আইজলে। ২০০৮ সালে বৈরবী-সাইরাং রেললাইনে অনুমোদন পড়ার পরে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাতেই সেই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। মারাত্মক কঠিন ভৌগোলিক জায়গায় এক দশক ধরে কাজের পরে ভারতীয় রেলের নেটওয়ার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয়েছে মিজোরামের রাজধানীকে। ভারতীয় রেলের তথ্য অনুযায়ী, বৈরবী-সাইরাং রেললাইনের মধ্যে মোট ৪৫টি টানেল আছে। ব্রিজের সংখ্যা হল ১৪৩টি।
সাইরাংয়ের ক্রুণ ব্রিজের উচ্চতা হল ১১৪ মিটারের। যা কুতুব মিনারের থেকে ৪২ মিটার উঁচু। আবার সবথেকে দীর্ঘতম ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৩ কিলোমিটারের মতো। দীর্ঘতম টানেলের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার। নীল পাহাড়ের দেশ মিজোরামের পার্বত্য অঞ্চল, গভীর গিরিখাত এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জের কারণে সেই কাজটা মারাত্মক কঠিন ছিল।







