
জিরিবামে অশান্তির সূত্রপাত
চলতি মাসে মণিপুরের জিরিবাম জেলা আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একটি মেইতেই পরিবারের ছ’জনকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে গোটা রাজ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কুকি জঙ্গিদের থানা আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করেছে। এর ফলে প্রশাসন বাধ্য হয়েছে পাঁচটি জেলার জন্য কার্ফু আরোপ করতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে। এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে গেছে, যা সমাজের বিভিন্ন স্তরে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
স্কুল ও কলেজের বন্ধ থাকার কারণ
রাজ্য সরকার সোমবার ইম্ফল উপত্যকা এবং জিরিবাম অঞ্চলে স্কুল ও কলেজগুলোর পুনরায় খোলার পরিকল্পনা বাতিল করেছে, যা এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ ছিল। ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, থৌবাল, বিষ্ণুপুর, কাকচিং এবং জিরিবামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস শুরু হবে না বলে জানানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে সোমবার ও মঙ্গলবার উপত্যকার সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকবে এবং একই নির্দেশিকা কলেজগুলোর জন্যও প্রযোজ্য হবে। এটি ছাত্রদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে; কারণ দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে তাদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে যায়。
কার্ফুর শিথিলতা: কিছু স্বস্তি?
এদিকে প্রশাসন ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, বিষ্ণুপুর, কাকচিং এবং থৌবাল এলাকায় কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে বাসিন্দারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে বাইরে বেরোতে পারেন। যদিও এটি সাময়িক স্বস্তি দিচ্ছে তবে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে যে আবারও কি কোনো অশান্তি দেখা দিতে পারে! স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন যে যদি পরিস্থিতি আরও অবনতিশীল হয় তবে তাদের জীবিকা বিপন্ন হতে পারে; তাই তারা দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রত্যাশা করছেন。








