
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বরখাস্ত করেছিলেন তাঁকে। অভিযুক্ত সেই চিকিৎসক নিসার-উল-হাসানকেই হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক পদে চাকরি দিয়েছিলেন সেখানকার কর্তৃপক্ষ।
দিল্লি বিস্ফোেরণকাণ্ডের পর থেকেই নিসার নিখোঁজ। দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই সারা দেশের নজর হরিয়ানার ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ব্যবহার করে সেখানকার চিকিৎসক-অধ্যাপক মুজাম্মিল আহমেদ, শাহিন সাহিদ, উমর মহম্মদ নবীরা সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গজবত-উল-হিন্দের নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করছিল বলে অভিযোগ। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে ব্যবহৃত বিস্ফোরক বোঝাই গাড়িটিও ১২দিন ধরে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রাখা ছিল বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে বুধবার আল-ফালাহ কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনও বিস্ফোরক বা নাশকতার সরঞ্জাম উদ্ধার হয়নি। তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সর্বতোভাবে সহযোগিতা।








