
পৃথিবীর সব সৌন্দর্য আমরা চোখ দিয়ে উপভোগ করি। জীবন চলার পথে চোখের গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।
এই চোখের আবার বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে একটি সমস্যা হচ্ছে চোখের চাপ বৃদ্ধি। এদিকে চোখের এই চাপ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন,সারা দিন পরিশ্রমের পর অনেকেই রাতে বিছানায় গা এলিয়ে দেন।এই সুযোগে শুয়ে প্রিয় ম্যাগাজিন পড়তে শুরু করেন,কেউবা রাত জেগে বিছানায়ই লেখেন। এতে চোখের ওপর চাপ পড়ে। ওদিকে,ধূমপানের অনেক ধরনের ক্ষতির কথা আমরা জানি।এটি চোখের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘ দিন ধূমপানের ফলে চোখের টিস্যু নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া,বাস-ট্রেন বা যেকোনো জার্নিতে একঘেয়েমি দূর করতে বই পড়েন অনেকে। কিন্তু রাস্তায় বই-এর লেখায় ফোকাস করতে বেশ চাপ পড়ে চোখের। ওদিকে,রোদের মধ্যে কোথাও যেতে বা দাঁড়াতে হলে চোখে সানগ্লাস ব্যবহার করুন।সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর। আবার পুলে সাঁতার কাটার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। পুলের জলেতে কেমিক্যাল মেলানো থাকে, যা চোখের ক্ষতি করে। আবার,চোখ চুলকাতে অনেক সময় ঘষা হয় বা চুলকানো হয়, এতে চোখের টিস্যু ছিড়ে যেতে পারে। আবার মহিলারা আজকাল চোখের সাজ ছাড়া তেমন বাইরে বের হন না। চোখ সাজাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে মেকআপ পণ্য অবশ্যই ভালোমানের হতে হবে। ব্যবহারের তারিখ দেখে বদলে ফেলতে হবে।যেমন যত্ন করে মেকআপ করা হয় ঠিক তেমন যত্ন নিয়েই মেকআপ তুলে চোখ পরিষ্কার করে আন্ডার আই ক্রিম মেখে ঘুমাতে যেতে হবে। আর শেষে,চোখের সব থেকে ক্ষতি হয় শখের মোবাইলের স্ক্রিন থেকে। খুব কাছে নিয়ে ফোন দেখবেন না। দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা ফোনে তাকিয়ে থাকলে চোখের আর্দ্রতা চলে যায়। কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ রাখুন। রাতে আগে স্মার্টফোনটি দূরে রেখে তারপর বিছানায় যান।চোখের এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন পর্যন্ত ঘুম। শরীরের মতো চোখেরও বিশ্রাম প্রয়োজন।
তাই চোখের সুস্থতায় ও সুস্থ চোখে পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগের আশায় চোখের যত্ন নেওয়া উচিত। এ ছাড় নির্দিষ্ট সময় পর পর চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা উচিত।








