
আর জি কর-র নিহত তরুণী চিকিৎসকের ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলন জারি থাকবে। মহালয়ার দিন মহামিছিলের পর ধর্মতলার জনসমাবেশ থেকে এই কথাই বলেছেন, চিকিৎসক কিঞ্জল নন্দ।
তিনি আরও বলেছেন, প্রথম থেকেই এই আন্দোলনে জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে সাধারণ মানুষরা ছিল শিরদাঁড়া সোজা করে। আগামীতেও তাঁর আশা সকলে পাশে থাকবেন। ৫৫ দিন ধরে রাস্তায় জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আপামর জনসাধারণ রাস্তায় নেমেছে। অভয়ার বিচার না পেলে জুনিয়র চিকিৎসকরা পথ ছাড়ছে না। এমনটাই বলেছেন, চিকিৎসক রুমেলিকা কুমার। তিনি আরও বলেছেন, গোটা ঘটনাকে ধামা চাপা দিতে চেয়েছিল সুইসাইড বলে চালাতে চেয়েছিল। অভয়ার বাবা মা কে টাকা দিয়ে চুপ করিয়ে দিতে চেয়েছিল। সাধারণ মানুষ পথে নেমেছে বলেই ওর ভয় পাচ্ছে। এই আন্দোলন শুধুমাত্র চিকিৎসকদের নয়, সাধারণ মানুষের। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হলে প্যানিক বাটন, পুলিশ, সিসিটিভি ক্যামেরা দরকার। সেই কাজে মাত্র ছাব্বিশ শতাংশ কাজ করতে পেরেছে সরকার এতদিনে। থ্রেট কালচার বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসক দেবাশিস হালদার। তিনি আরও বলেছেন, সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজের ঘটনায় রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে বললো ডাক্তাররা বেড দেয়নি। এই তথ্য ডাক্তারদের কাছে থাকে না। গদি পেয়ে গেলেই সবাই ভাবে তিনি অনেক দূরে আছেন উঁচুতে। কিন্তু একটাই কথা বলব রাজার প্রথার শেষ হয়েছে।








