সকালে জল খেলে কমবে পারে ওজন

0
27
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

সাধারণতঃ দেখা যায় যেসব খাবার বিপাকের হার বৃদ্ধি করে, সেগুলো ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও সহায়ক। তেমনি একটি মসলা দারচিনি। এটি মানুষের দেহের বিপাকের হার বৃদ্ধি করে।এ ছাড়া দারচিনি হজম ক্ষমতা ভালো রাখতে সাহায্য করে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

দারচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।পাশাপাশি এটি শরীরকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষে ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা নেয়।প্রতিদিন সকালে দারচিনির জল খেলেন, অথচ মাসের শেষে কোনো ফলই পেলেন না! খাওয়ার সময় বেশ কিছু ভুল এড়িয়ে না চললে দারচিনির সব পুষ্টিগুণ শরীরে পৌঁছায় না। তাই স্বাস্থ্যের কথা ভেবে দারচিনি খাওয়ার আগে কিছু জরুরি বিষয় মাথায় রেখে চলতে হবে। ওদিকে বাজারে মূলত দুই ধরনের দারচিনি কিনতে পাওয়া যায়, সেলন আর ক্যাসিয়া। সেলন প্রজাতির দারচিনির মান বেশি ভালো হয়। দারচিনিতে কমারিন নামক একটি যৌগ পাওয়া যায়, যা বেশি মাত্রায় শরীরে গেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।আর ক্যাসিয়াতে কমারিনের মাত্রা বেশি থাকে।সেলন দারচিনির স্বাদ মিষ্টি মিষ্টি হয়। এর রং সাধারণত হালকা বাদামি হয়ে থাকে। অন্যদিকে, ক্যাসিয়া দারচিনির স্বাদ একটু ঝাল হয়, এর রংও গাঢ় হয়। সেলনের দাম ক্যাসিয়ার তুলনায় অনেকটাই বেশি।সেলন প্রজাতির দারচিনি বেশি স্বাস্থ্যকর।খুব বেশি রান্না করলে দারচিনির গুণ নষ্ট হয়ে যায়। রান্নাতেও তাই একেবারে শেষে এই মসলা ব্যবহার করলে তবেই শরীরে এর পুষ্টিগুণ পৌঁছাবে। আর দারচিনির জল বা চা বানানোর সময়ে খুব বেশি ফোটানোর প্রয়োজন নেই। হালকা গরম জলেতে ভিজিয়ে রাখলেই কাজ হবে।বাজার থেকে দারচিনি কেনার সময় গোটা কিনুন। দারচিনির গুঁড়ো ব্যবহার না করাই ভালো। বাড়িতে দারচিনি গুঁড়ো করার সময়েও অনেকটা একসঙ্গে করবেন না।দারচিনির গুঁড়ো বেশি দিন ফেলে রাখলে তার গুণ নষ্ট হয়ে যায়।দারচিনির মাত্রার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। সারা দিনে ১-২ চা চামচের বেশি না খাওয়াই ভালো। খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে দারচিনির জল খাওয়া ভালো। এতে রক্তের শর্করার মান নিয়ন্ত্রণে থাকে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে।টানা এক মাস খাওয়ার পর অবশ্যই কিছু দিনের বিরতি নিতে হবে। গরমের সময় প্রতিদিন দারচিনি না খাওয়াই ভালো।

কারণ এই মসলা শরীর গরম করে। তবে থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখের ওষুধ খেলে এই পানীয় খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। ওষুধ খাওয়ার কতক্ষণ আগে ও পরে এই পানীয় খাওয়া যাবে না, সেটাও জেনে নেওয়া জরুরি।