শুকনো কাশিতে ঘরোয়া স্বস্তি  

0
159
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

দিনের বেলা হালকা গরম, সন্ধ্যা নামতেই ঠাণ্ডার আমেজ। ঠাণ্ডা-গরমে সারাক্ষণ খুসখুসে কাশি হয়েই চলেছে। রাতে শোয়ার সময় অনবরত গলায় অস্বস্তি দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে এই সমস্যা যেমন কষ্ট দেয়, তেমনি বুকেও সর্দি বসতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে বুকে কফ বসে এমন পরিস্থিতি হয় যে রীতিমতো শ্বাসকষ্ট হতে শুরু করে।এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই কফের সিরাপ খেয়ে থাকেন। তবে তাতেও যে দীর্ঘস্থায়ী আরাম পাবেন এমনটা নয়। বরং কিছু ঘরোয়া টোটকার ওপর ভরসা রাখলে স্বস্তি পাবেন আপনিও।এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে তৈরি করবেন ঘরোয়া এই উপাদান।প্রথমে কয়েকটি লবঙ্গ ও এলাচ খোলা কড়াইয়ে নেড়ে নিন।এবার ভালো করে গুঁড়া করে রাখুন।একটি এয়ার টাইট পাত্রে মিশ্রণটি রেখে দিন। সারা দিনে অন্তত দু’ বার এই মিশ্রণটি মধুর সঙ্গে খান।কয়েকদিন খেলেই উপকার পাবেন।আবার,এক গ্লাস হালকা গরম জলেতে দু’ চামচ মধু, আধ চা চামচ লেবুর রস আর সামান্য পরিমাণ আদার রস মিশিয়ে দিনে অন্তত দু’ থেকে তিন বার খেলে শুকনো কাশি থেকে রেহাই পাবেন।কাশি দূর করতে আদারও জুড়ি মেলা ভার। আদা টুকরা করে কেটে লবণ মিশিয়ে কিছুক্ষণ অন্তর খেলে কমতে পারে কাশি। ওদিকে কাশি হলে তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। চায়ের সঙ্গে তুলসী পাতা মিশিয়েও খেতে পারেন। তুলসী পাতা খুব দ্রুত খুসখুসে কাশি নিরাময় করে।অন্যদিকে,গলায় খুসখুসে ভাবের সঙ্গে কাশি হলে গরম দুধের সঙ্গে অল্প হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন।নিমেষে দূর হবে কাশি।খুসখুসে কাশি কমাতে মধু ভীষণ উপকারী।মধুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গলায় জমা শ্লেষ্মা দূর করতে সাহায্য করে।এ ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরা এলাচ জীবাণুনাশক। গলা ব্যথা ও খুসখুসে কাশি হলে এলাচ মুখে রাখতে পারেন।

অন্যদিকে লবঙ্গের গুণে সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়। অনেক সময় হালকা ঠাণ্ডা লাগলে মুখে লবঙ্গ রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আর এই তিনটি উপাদানের গুণেই তাড়াতাড়ি গলা খুসখুসের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।