
সংসদে ভূতুড়ে ভোটার কাণ্ডে আলোচনায় নারাজ কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, একই সঙ্গে ভুয়ো ভোটার কার্ডের উপস্থিতি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।সংসদে এ নিয়ে আলোচনার অনুমতি দিতেই হবে। উল্লেখ্য এপিক বা সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে সরব তৃণমূল-সহ বিরোধী শিবির। অথচ সরকার আলোচনায় নারাজ। অভিযোগ বারবার নোটিস দিয়েও ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়নি কেন্দ্র।
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি গত সপ্তাহে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, চলতি সপ্তাহে স্বল্প সময়ের জন্য এই ইস্যুতে আলোচনার অনুমতি দিতেও পারেন তিনি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সদিচ্ছা তাঁর তরফে দেখানো হয়নি।বৃহস্পতিবারও এ নিয়ে আলোচনার দাবিতে রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক, সাগরিকা ঘোষ, দোলা সেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাকেত গোখলে। সেগুলি গ্রহণ করেননি চেয়ারম্যান।
বাধ্য হয়ে রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ভুয়ো ভোটার কার্ড যে রয়েছে, সেটা প্রমাণিত।ভুয়ো এপিকও থাকবে, আবার সুষ্ঠু নির্বাচনও হবে, দু’টো একসঙ্গে হতে পারে না। বারবার বিভিন্ন নিয়মে নোটিস দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একটাই দাবি, সরকার আলোচনা করুক। কিন্তু সরকার সেটা চায় না। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে ওয়াকআউট করেছেন।




