
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে , ডিআর কঙ্গো দেখা দেওয়া প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রথমদিকে যতটা অনুমান করা হয়েছিল, তার চেয়েও অনেক দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা , ডব্লিউএইচও।
দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশকে এই প্রাদুর্ভাবের মূল কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আক্রান্ত ব্যক্তিরা অত্যন্ত দ্রুত মারা যাচ্ছেন। ভাইরাসটির ভয়াবহতা তাদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত কঙ্গোতে ৫১৩ জনেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। শুধু কঙ্গোতেই নয়, প্রতিবেশী দেশ উগান্ডাতেও ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ডিআর কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেডি জরুরি সংকটকালীন বৈঠক শেষে দেশের নাগরিকদের শান্ত থাকার পাশাপাশি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুসও এই মহামারির বিস্তার ও গতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসকদের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হলো, এবারের সংক্রমণটি ছড়াচ্ছে ইবোলার বিরল বুন্দিবুঙ্গিও স্ট্রেনের মাধ্যমে, যার প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন বা টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্তমানে অন্য কোনো ওষুধ এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই জারি করেছে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা। এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেই আগাম সতর্কতা নিতে শুরু করল ভারত।




