
বালিপাচার তদন্তে ৭ জায়গায় কলকাতা, আসানসোল, ঝাড়গ্রামে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতার বেন্টিং স্ট্রিটে চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট রাজকুমার আগরওয়ালের অফিসে সকালেই হানা দেয় ইডি।
বালিপাচার চক্রের কালো টাকাকে কিভাবে সাদা করা হত তাই খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। বেআইনি চক্রটা কিভাবে চলত সেই সংক্রান্ত বেশিকিছু নগি রাজকুমারের অফিস থেকে সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। কলকাতার সঙ্গেই আসানসোলের মুর্গাশোলে বালি ব্যবসায়ী মণীশ বাগাড়িয়ার বাড়ি অফিসে রেইড করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ১০-১২ জন অফিসার অভিযানে যায়। তল্লাশিতে মণীশ বাগারিয়ার বাড়িতে বিপুল পরিমাণে হিসাব বহির্ভূত টাক মিলেছে। টাকা গুণতে মেশিন নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে ঝাড়গ্রামের বালি ব্যবসায়ী সৌরভ বায়ের লালগড়ের সিজুয়ার বালিখাদান, গোপীবল্লভপুরের ঠিকানায় হানা দিয়েছেন ইডি অধিকারিকরা সৌরভ রায়ের ম্যানেজারকে ৩ ঘণ্টা জেরা করেছেন ইডি অফিসাররা। বালি খাদানের অফিসের একটি ঘরের তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়। একইসঙ্গে সৌরভ রায়ের গোপীবল্লভপুরের জিডি মাইনিংয়ের অফিসেও পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা।
উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ নদীর গতিপথ বদলে দিয়েছে অবৈধ বালি পাচারকারীরা। ন্যাশনাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডকে অগ্রাহ্য করে নদীর পাড়ে জেসিবি নামিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে। ইডির উচিত অভিযুক্তদের তুলে নিয়ে যাওয়া এবং সম্পত্তি আটাচ করা।






