
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার জেল হবে না বেল। মঙ্গলবার দুপুরে রায় দেবে আদালত। শনিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ ইডি আদালতে ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট ধরে চলা শুনানিতে চন্দ্রনাথ সিনহাকে ৭ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছে ইডি।
কেন্দ্রীয় এজেন্সি দাবি করেছে ২০২৪-এ বোলপুরে মন্ত্রীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার হয়। অভিযোগ তার নির্দিষ্ট কোনও হিসেব দিতে পারেননি চন্দ্রনাথ সিনহা। আয়কর রিটার্নও জমা দেননি। নথি চাওয়া হলেও তা সময়মত দেননি। ৬ সেপ্টেম্বর চার্জশিট জমা পড়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তড়িঘড়ি জমা দেন সব নথি। চার্জশিট জমা দেওয়ার পরেও নথি দিয়েছেন, এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে চন্দ্রনাথ সিনহা কতটা প্রভাবশালী। পাল্টা চন্দ্রনাথ সিনহার আইনজীবী দাবি করেন টানা ১১ মাস ধরে তদন্ত চলছে। চার্জশিট জমাও পড়েছে। তবে এখন কেন নথির সঙ্গে যাচাই করার জন্য মন্ত্রীকে হেফাজতে প্রয়োজন। পাশাপাশি ইডি-র তরফে যে নথি চাওয়া হয়েছিল সবই দেওয়া হয়েছে। আদালতে পাল্টা দাবি করেন চন্দ্রনাথ সিনহার আইনজীবী। দুইপক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারক মঙ্গলবার পর্যন্ত রায়দান স্থগিত রখেছেন। ইডির দাবি ছিল উদ্ধার হওয়া টাকার মধ্যে ১৯ লাখ টাকারই হিসেব দেখিয়েছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের দাবি ওই ১৯ লাখ টাকার উৎসও স্পষ্ট নয়।
কৃষি কাজ এবং রিয়েল এস্টেট থেকে টাকা এসেছে বলে দাবি করলেও তার সপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেন নি মন্ত্রী। ইডির ইভিযোগ শুধু মন্ত্রী নন, তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলের অ্যাকাউন্টেও বিপুল অঙ্কের টাকা জমা হয়েছে। বহিষ্কৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের জবানবন্দিতে প্রথম উঠে আসে মন্ত্রী চন্দ্রনাথের নাম। এরপর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে একাধিক বড়সড় লেনদেনের হদিশ পায় ইডি।







