
ঘরে বিছানায় পড়ে দুই শিশুর দেহ। এক জনের বয়স সাত, অন্য জনের দুই। পাশেই পড়েছিল বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির দেহ। এমনই এক দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে গুজরাতের সুরাট। দুই সন্তানকে খুনের পর আত্মঘাতী হয়েছেন বাবা। কেন আত্মঘাতী হয়েছেন, আট পাতার একটি চিঠিতে তা উল্লেখ করেও গিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
আর সেই চিঠির সূত্র ধরেই ওই ব্যক্তির স্ত্রী এবং তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃতের নাম অল্পেশ সোলাঙ্কি। তিনি শিক্ষকতার কাজ করতেন। ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হয় অল্পেশের দুই সন্তানের দেহও। পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী ফাল্গুনীর সঙ্গে শৈশব থেকেই প্রেম ছিল অল্পেশের। তার পর তাঁরা বিয়েও করেন। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ফাল্গুনী এবং অল্পেশের সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হয় ফাল্গুনীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে। চিঠিতে সেই টানাপড়েনের কথাও উল্লেখ করেছেন অল্পেশ।
সেই সূত্র ধরেই পুলিশ জানতে পেরেছে, অল্পেশের স্ত্রী জেলা পরিষদের অফিসে কেরানির কাজ করেন। সেখানে নরেশ রাঠৌর নামে এক অফিসারের সঙ্গে তাঁর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তা নিয়ে ফাল্গুনীর সঙ্গে অশান্তিও হতে শুরু করে।
