বাঁদর মোটেও অখুশি নেই – মাস্ক

0
87

বাঁদর খেলছে ভিডিও গেম, তেমনই দাবি এই মুহূর্তে ধনীদের তালিকায় বিশ্বের শীর্ষস্থানে থাকা এলন মাস্কের। বছর পাঁচেক আগে টেসলা প্রধান ও স্পেস এক্সের সিইও নতুন সংস্থা খুলেছেন।

সেই সংস্থাই এক বাঁদরের মাথায় পরীক্ষামূলক ভাবে চিপ বসিয়ে তার মধ্যে এমন ক্ষমতার জন্ম দিয়েছে। ক্লাবহাউস নামের এক নতুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই বাঁদরটির বিষয়ে সকলকে জানিয়ে মাস্কের সরস মন্তব্য, বাঁদরটি মোটেও অখুশি নেই।২০১৬ সালে স্থাপিত নিউরালিংক নামের ওই সংস্থা মানুষের মস্তিষ্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ নিয়ে কাজ করছে।সেই পরীক্ষারই অংশ হিসেবে আপাতত বাঁদরের মস্তিষ্ক নিয়ে চলছে গবেষণা।মাস্ক জানিয়েছেন, তাঁর সংস্থা বাঁদরটির মাথার ভিতরে ওই চিপ বসিয়ে সরু তার দিয়ে মস্তিষ্কের সঙ্গে সেটির যোগসূত্র তৈরি করেছে। তার ফলেই বাঁদরটি নিজের মাথাকে কাজে লাগিয়ে দিব্যি ভিডিও গেম খেলতে পারে। একটি বাঁদর অন্য একটি বাঁদরের সঙ্গে কীভাবে মনে মনে যোগাযোগ তৈরি করতে পারে, সেই দিকটি খতিয়ে দেখতেই মূলত সেটির মস্তিষ্কে ওই চিপ বসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।আগামী দিনে মস্তিষ্কের অসুখে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এমন চিপ বসিয়ে তাঁদের সারিয়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে মাস্কের সংস্থার। কিন্তু সেটা একান্তই তাৎক্ষণিক লক্ষ্য। দূরবর্তী লক্ষ্য হল, মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলা।এর ফলে যোগাযোগের ভাষা যে আরও দ্রুত ও নিখুঁত হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত পৃথিবীর ধনীতম ব্যক্তি। ব্ল্যাক মিরর-এর মতো বহু ওয়েব সিরিজে ইতিমধ্যেই মানুষের মস্তিষ্কের মধ্যে চিপ বসানোর প্রসঙ্গ এসেছে।মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ আরও উন্নত করার পাশাপাশি মানুষের স্মৃতি ও আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়ার কথা বারবার বলেছে কল্পবিজ্ঞান। কিন্তু বিষয়টা যে আর নিছক কল্পবিজ্ঞানের আওতায় নেই, বরং তা যে ধীরে ধীরে বাস্তবের পথে পা বাড়িয়েছে, সেকথাই যেন স্পষ্ট করে দিলেন মাস্ক। নিউরালিংক একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে,কত সহজে একটি রোবট মানুষের মস্তিষ্কে চিপ প্রতিস্থাপন করছে। মাস্ক জানাচ্ছেন, ব্যাপারটা ঘটাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা লাগে। অপারেশনের শেষে একটা ছোট্ট কাটা দাগ ছাড়া আর কোনও চিহ্ন থাকে না।