
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত জেন্ডার আইডেন্টিটি এবং ডিইআই অর্থাৎ বৈচিত্র্য, ইক্যুইটি ও অন্তর্ভুক্তি সংক্রান্ত নীতির কারণে গত কয়েক বছরে নিজের আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছেন জনপ্রিয় ট্রান্সজেন্ডার অভিনেত্রী লাভের্ন কক্স।
সম্প্রতি নিজের নতুন বই ,ট্রান্সেন্ডেন্ট আ মেমোয়ার-এর প্রচারে অংশ নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছেন।অরেঞ্জ ইজ দ্য নিউ ব্ল্যাক খ্যাত এই এমিজয়ী তারকা উল্লেখ করেছেন, নতুন এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে তার বক্তব্য রাখার চুক্তি যেমন বাতিল হয়েছে, তেমনি থমকে গেছে তার শিক্ষকতার কাজও।কক্সের মতে, বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন দেশের যেসব কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় জেন্ডার আইডিওলজি কিংবা ,ডিইআই সংক্রান্ত কার্যক্রমকে সমর্থন করবে, তাদের সরকারি অনুদান বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। অভিনেত্রী বলেছেন, তিনি যদি কোনো উচ্চতর স্তরের অভিনয় বা নাট্যকলা বিষয়েও ক্লাস নেন, তবে বর্তমান আবহে সেটিকেও ট্রান্স আইডিওলজি বা রূপান্তরকামী মতাদর্শের প্রচার হিসেবে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে। এই চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির বাস্তবতাই এখন তাকে এবং তার মতো বহু মানুষকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে আয়ের সিংহভাগ হারালেও নিজের চেয়ে অন্য প্রান্তিক রূপান্তরকামীদের জীবনযাত্রা নিয়ে বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লাভের্ন কক্স। তিনি জানিয়েছেন, নিজের জন্য কোনো অভিযোগ না থাকলেও তিনি অত্যন্ত চিন্তিত যে, তার মতো বিশ্বখ্যাত ও সুবিধাপ্রাপ্ত একজন মানুষের আয় যদি এভাবে কমে যায়, তবে সাধারণ রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের মানুষদের কী করুণ দশা হবে।
এই ধরনের বৈষম্যমূলক এবং রাজনৈতিক বলির পাঁঠা বানানোর নীতির কারণে সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন বাস্তব জীবনের চরম মূল্য চোকাতে হচ্ছে।






