
আগামী ২০ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে, এবং গণনা শুরু হবে একই দিন বিকেল ৫টায়। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মনোনয়ন পেশ করার শেষ তারিখ হলো ১০ ডিসেম্বর, এরপর স্ক্রুটিনি হবে ১১ ডিসেম্বর এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশের তিনটি আসন, ওড়িশা ও হরিয়ানার একটি করে আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে।
গত দু’-তিন মাসে রাজ্যসভায় শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে বিভিন্ন কারণে সাংসদদের ইস্তফার ফলে। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের জহর সরকারের ইস্তফা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে; তাঁর পদত্যাগের পর সংসদের উচ্চকক্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র বারোতে। পশ্চিমবঙ্গের মোট ষোলটি রাজ্যসভা আসনের মধ্যে একটি খালি ছিল যা এখন পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও বিজেপির দুই এবং সিপিএম-এর একজন সাংসদ বর্তমানে রাজ্যসভায় রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচনে কে কোন দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা মতামত চলছে; বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেস কি তাদের হারানো জায়গা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হবে কিনা সেটাই এখন মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে。
এখন দেখার বিষয় হলো, আগামী নির্বাচনগুলো কীভাবে রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে পাল্টাবে এবং কোন দল নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে তা নিয়ে সকলেই আগ্রহী হয়ে আছেন!
