
১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর প্রথমে পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচে জয় পায়নি থ্রি লায়নরা।
অবশেষে দেশকে সে অভিশাপ থেকে মুক্তি দিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।ম্যাচের লম্বা সময় এগিয়ে ছিল ডিআর কঙ্গো। তাদের সপ্তম মিনিটে করা গোল শোধ দিতে মরিয়া ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হয়ে এগিয়ে এসেছেন হ্যারি কেইন।ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর কোন ভাবেই ম্যাচে ফিরতে পারছিল না ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানে ডিআর কঙ্গো।মাত্র সাত মিনিটের মাথায় ব্রিটিশদের স্তব্ধ করা এক গোলে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা।গোল হজম করে এলোমেলো খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।প্রথমার্ধের বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় আর গোল পাওয়া হয়নি কেইনদের।মাঝে ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ব্যাবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কঙ্গোর উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।এর দু’ মিনিটের মাথায় কঙ্গোর ডি বক্সে কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় পড়ে যান কেইন।অবশেষে ম্যাচের শেষ দিকে ৭৫ ও ৮৬ মিনিটে কেইনের দুর্দান্ত দু’ গোলে জয় নিজেদের করে নেয় থমাস টুখেলের দল।ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি কেইন ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও।
চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।এরই সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো।
