
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন কীভাবে আত্মঘাতী হয়েছিলেন, তা নিয়ে এখনও রয়েছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে তার মৃত্যুর ৭ বছর বাদে প্রকাশ্যে এসেছে , সুইসাইড নোট। জানা যাচ্ছে, নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর অনুরোধের পর ফেডারেল বিচারক সুইসাইড নোটটি প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য,জেলে থাকাকালীন একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এপস্টেইন। কিন্তু সফল হননি। জেল কর্তৃপক্ষ এপস্টেইনের উপর নজরদারিও বাড়িয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও জেলের মধ্যেই তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তবে এপস্টেইনের মৃত্যু নিয়ে এখনও রহস্য থেকেই গিয়েছে। জানা গিয়েছে, সুইসাইড নোটে এপস্টেইন তদন্তকারীদের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। চিরকুটে সে লিখেছে, ওঁরা মাসের পর মাস ধরে তদন্ত করছে, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ মেলেনি।
বিষণ্ণ হৃদয়ে জেফ্রি আরও লিখেছে,নিজেকে বিদায় জানানোর সময়টা নিজে বেছে নিতে পারাটা একটা দারুণ ব্যাপার। নোটের একদম শেষে লেখা, মজা নেই। এর কোনও মূল্য নেই! রিপোর্ট অনুযায়ী, এপস্টেইনের সহবন্দি নিকোলাস টারটাগ্লিওন যৌন অপরাধীর মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পর জেলের কুঠুরিতে একটি বইয়ের ভিতর থেকে হলুদ রংয়ের কাগজে লেখা নোটটি উদ্ধার করে। কিন্তু সুইসাইড নোটটি কি এপস্টেইন নিজে লিখেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুধু তা-ই নয়, আদৌ এটি এপস্টেইনেরই সুইসাইড নোট কি না, তা নিয়েও বিতর্কও রয়েছে।
