জর্জ ফ্লয়েড হত্যা: বিক্ষোভে সামিল ইউরোপও

0
6

Last Updated on by

আমেরিকার দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে এবার সামিল ইউরোপও। জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমে ধিক্কার জানাতে শুরু করেছেন লন্ডন, বার্লিন-সহ একাধিক শহরের মানুষও। বিচার চেয়ে লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে জমায়েত করেছেন শতাধিক মানুষ।

তবে লকডাউন ভাঙা ও পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এছাড়াও নতুন করে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে ব্রিটেনের ম্যাঞ্চেস্টার ও কার্ডিফ শহরেও। এদিকে,জার্মানির বার্লিনেও বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন শত শত মানুষ।বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে কানাডার টরন্টোতেও। ২৫ মে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গের ঘাড়ের উপর হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেছেন এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার। আমি শ্বাস নিতে পারছি না, এই কথাটা বলতে বলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন জর্জ, মিনিয়াপোলিসের এই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে পথে নামেন মানুষ। জর্জের শেষ কথাটাই হয়ে উঠেছে তাঁদের স্লোগান। মিনিয়াপোলিসে এই বিক্ষোভ দিন পাঁচেক ধরে চলছে। লস অ্যাঞ্জেলিস, শিকাগো, আটলান্টায় জারি হয়েছে কার্ফু। ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার্স এবং আই কান্ট ব্রিদ, এই স্লোগানে উত্তাল আমেরিকার তিরিশটিরও বেশি শহর। ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে ২ জনের। মিনিয়াপোলিস, নিউ ইয়র্ক, শিকাগো, আটলান্টা, মায়ামি, পোর্টল্যান্ড, সান ফ্রান্সিস্কোর মতো প্রায় ১৩টি শহরে জারি হয়েছে কার্ফু। চলছে বিক্ষোভ,লস অ্যাঞ্জেলসে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগানোয় রবার বুলেট ছুঁড়েছে পুলিশ, চলেছে লাঠি। শিকাগো, নিউ ইয়র্কের একাধিক স্থানে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ হয়েছে। অন্যদিকে, জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিক্ষোভের আগুনে  জ্বলছে গোটা আমেরিকা। সুযোগ বুঝে মাঠে নেমে পড়েছে চীন। তাদের কথায়, মার্কিন সমাজে বর্ণবৈষম্য এবং পুলিশি নৃশংসতা জাঁকিয়ে বসেছে। বেজিংয়ে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন চিনা বিদেশমন্ত্রকের  মুখপাত্র লিজিয়ান ঝাও বলেছেন, বর্ণবৈষম্য দূর করে কী ভাবে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়,তা নিয়ে মার্কিন সরকারকে ভাবনা চিন্তা করতে হবে।