
রাজভবন সূত্রে জানা গেছে, যখনই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়, তখনই ওই মূর্তিটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ভারতীয় জাদুঘরের পক্ষ থেকে রাজ্যপালকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এই মূর্তি। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন যে কেন রাজ্যপাল নিজেই সেই মূর্তির উন্মোচন করলেন? এটি কি সরকারের নীতি ও প্রোটোকলের প্রতি অবজ্ঞা নয়? তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ জনমানসে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং সরকারের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, রাজভবনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে যে অনেক শিল্পী তাঁদের শিল্পকর্ম মাননীয় রাজ্যপালকে উপহার দেন এবং এর মধ্যে একজন সৃষ্টিশীল ভাস্করও রয়েছেন যিনি বিশেষভাবে এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন। তবে প্রশ্ন উঠছে—এমন একটি পদক্ষেপ কি যথাযথ ছিল? এটি কি শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক বিনিময় নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে? অনেকেই মনে করছেন যে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট না করলে ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশিত হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন যে এটি শুধু একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা নয় বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক বলছেন যে আগামী দিনে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে যদি না সরকার ও প্রশাসন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়। জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়; তাই স্বচ্ছতা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে যাতে সাধারণ মানুষ সঠিক তথ্য পেতে পারেন এবং তাদের উদ্বেগ দূর হয়。








