
দিল্লির অদূরে ফরিদাবাদে এক ভাড়াবাড়িতে সোমবার হানা দেয় রিয়ানা এবং কাশ্মীর পুলিশের যৌথবাহিনী। উদ্ধার করা হয় ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক এবং বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র।
২০টি বোমার টাইমার, রিমোট এবং ওয়াকিটকিও ছিল ওই বিস্ফোরকের সঙ্গে।সেই ভাড়াবাড়িতে থাকতেন চিকিৎসক মুজ়াম্মিল। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয় আগেই। ফরিদাবাদের ঘটনার পর বিবৃতি দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় তিন হাজার কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর সঙ্গে জইশ জঙ্গিদের যোগ রয়েছে। এ ছাড়া, আনসার ঘাজ়ওয়াত-উল-হিন্দ নামের আর এক পাকিস্তানি গোষ্ঠীর খোঁজও মিলেছে। তার পরেই দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনা স্বভাবতই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।ধৃত চিকিৎসক মুজ়াম্মিল শাকিলের সহযোগী ছিলেন তিনি। নিজেও চিকিৎসক বটে। শুধু চিকিৎসার কাজে নয়, মুজ়াম্মিলকে সন্ত্রাসের কাজেও সহযোগিতা করতেন ওই মহিলা চিকিৎসক। তাঁর গাড়ির ভিতর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পরই তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন তিনি।
জিজ্ঞাসাবাদ করার পর লখনউ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তদন্তে নেমে নজরে আসেন তাঁর সহযোগী চিকিৎসক শাহিন। তাঁর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় একে-৪৭ রাইফেল।





