
ভেজাল ওষুধ নিয়ে এরাজ্যের মানুষের এতটাও চিন্তার কারণ নেই। এমনটাই দাবি করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিার কথায় ওখানে ওষুধের ব্যাচ র্যানডম চেক করা হয়। কোনও ওষুধে কোনওরকম সমস্যা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করা হয়।
২৩ তারিখেও রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১৩৭ রকমের ওষুধ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তিনি আরও বলেছেন মানুষের জীবনকে প্রাধান্য না দিয়ে যেখানে কেন্দ্র ওষুধের দাম তিনগুণ বাড়িয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে রাজ্য সরকার ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খুলেছে।পাল্টা আক্রমণ করে সুকান্ত মজুমদার বলেছেন ভেজাল ওষুধ কারবারিদের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য দফতরের এফআইআর করা উচিত। এফআইআরের প্রেক্ষিতে পুলিশের অভিযান করা উচিত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসবে সময় নেই। এখানকার পুলিশের দুটো কাজ। এক রাস্তায় দাঁড়িয়ে টাকা তোলা। আর দ্বিতীয় কাজ তৃণমূল নেতাদের সাধারণ মানুষের হাত থেকে বাঁচানো।
রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৩৭ রকমের ওষুধের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। ওষুধের নাম ও নির্দিষ্ট ব্যাচ নম্বর দিয়ে পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতাদের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হযেছে বাজার থেকেও যেন তুলে নেওয়া হয় ১৩৭টি ওষুধ।





