
রোজের মতো দিল্লির চাঁদনি চকে কেউ গিয়েছিলেন যাত্রীদের নামাতে আবার কেউ বা গিয়েছিলেন বাজারের জন্য। তবে, গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ এক মুহূর্তের জন্য ছারখার করে দিয়েছে সবকিছু। সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় গিয়েও সকলেই প্রায় ফিরেছেন নিথর দেহ হয়ে।
আর এই সমস্ত পরিবারের রোজগারেদের হারিয়ে দিশেহারা তাঁদের পরিবারগুলি। সোমবার সন্ধ্যায় পঙ্কজ সাইনি গিয়েছিলেন দিল্লির চাঁদনি চকে। আর কোনও দিন ঘরে ফেরা হবে না ২২ বছরের যুবকের। পঙ্কজের মতোই সোমবার সন্ধ্যায় কাজে গিয়ে আর ঘরে ফেরা হয়নি নোমান, অশোক কুমারদের। দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন তাঁরা। নোমানের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের শামলিতে। প্রসাধনীর ব্যবসা রয়েছে তাঁর। সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদনি চকে সেই মালপত্রই কিনতে গিয়েছিলেন। অশোক দিল্লি পরিবহণ কর্পোরেশন ডিটিসি-এর বাসের কন্ডাক্টর। চাঁদনি চকে গিয়েছিলেন এক পরিচিতের সঙ্গে দেখা করতে।
প্রাণ গিয়েছে দু’জনেরই। ক্যাব চালক পঙ্কজের বাড়ি বিহারে। ২২ বছরের যুবক পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁর দেহ নিতে মঙ্গলবার দিল্লির লোকনায়ক হাসপাতালে গিয়েছেন বাবা। পুত্রের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন। তবে বিচারের দাবি থেকে সরছেন না প্রৌঢ়।
