
একুশ সালের নভেম্বর মাসে প্রমোদতরীতে পার্টি করতে গিয়ে মাদককাণ্ডে নাম জড়ায় আরিয়ান খানের। তারপর এক মাস প্রাসাদোপম মন্নত ছেড়ে রাত কাটাতে হয়েছিল জেলে।
সেই অভিশপ্ত সময় কাটিয়ে পরিচালক হিসেবে বলিউডে নাম লেখালেন সিম্বা আরিয়ান খান। আর পয়লা কাজেই নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর গ্রেপ্তারিকে ব্যঙ্গ করেছেন সিরিজের মুখরোচক সংলাপের মাধ্যমে।উল্লেখ্য ২০২১ সালের অক্টোবর মাস।আরিয়ান খান মাদককাণ্ডের পর থেকে মন্নত-এর বাইরে পা রাখেননি শাহরুখ খান। বলেছিলেন,ছেলে বাড়ি ফিরুক, তারপর কাজ হবে।একুশের গোটা অক্টোবর মাস থানা-পুলিশ, আদালত করে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছিলেন।শেষমেশ একমাস বাদে ছেলেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে পেরে তবেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন বাবা শাহরুখ। তারপরও গোটা একমাস নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন লাইমলাইট থেকে।কাজ থেকেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। স্থগিত ছিল পাঠান-এর শুটিং। শাহরুখের আগামী ছবি বয়কটের ডাকও উঠেছিল। খান পদবির জেরেও শাপ-শাপান্ত করা হয় অভিনেতাকে।চার বছর পর যখন ফিরলেন, সমস্ত নিন্দুকদের উত্তর দিয়েছেন বক্স অফিসের নম্বর দিয়ে। পাঠান জানিয়ে দিয়েছিল শাহরুখ,জিন্দা হ্যায়। আর জওয়ান শাহরুখ সাহস দেখিয়েছিলেন মরচে ধরা সিস্টেমকে প্রশ্ন করার।কাট টু ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট। এরপর ব্যাডস অফ বলিউডে’র ঝলকে নিজের গ্রেপ্তারির স্মৃতিই ফিরিয়ে এনেছেন বাদশাপুত্র আরিয়ান খান।সিরিজের এক দৃশ্যে গল্পের নায়ককে জেলের ভিতরে দেখা যায়। আর তার ঠিক পরই আসে সেই সংলাপ, যা নিয়ে আপাতত বিনোদুনিয়ায় শোরগোল।এক পুলিশকর্মীকে বলতে শোনা যায়, চিন্তা কোরো না, জেলের ভিতর থাকলে জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই দৃশ্য আপাতত নেটভুবনে ভাইরাল।
একাংশের মত, আরিয়ান সম্ভবত এনসিবিকেই খোঁচা দিতে এহেন সংলাপ রেখেছেন সিরিজে। আবার কারও প্রশংসা, এই তো বাপ কা বেটা।
