
কৃষকদের আন্দোলনের জেরে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পাঞ্জাবের বিস্তির্ণ অঞ্চল। কৃষকদের বিক্ষোভের কারণে ২২১টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে রাস্তাঘাটও।
সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এবং কিষাণ মজদুর মোর্চার ডাকে ফের পথে নেমেছেন কৃষকেরা। সোমবার বনধের ডাক দিয়েছিল কৃষকদের সংগঠন। চিকিৎসা-সহ জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই পঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায় কৃষকেরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। জলন্ধর-দিল্লি জাতীয় সড়ক, অমৃতসর-দিল্লি হাইওয়ের উপর বসে পড়েছেন তাঁরা। ফলে ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়েছে। মোহালিতে বিমানবন্দর যাওয়ার পথও অবরোধ করেছেন কৃষকেরা। অন্যদিকে, এমএসপি বৃদ্ধি-সহ একগুচ্ছ দাবির অঙ্গ হিসেবে ৪ জানুয়ারি পঞ্জাব-হরিয়ানা সীমানায় খানৌরিতে কিসান মহাপঞ্চায়েতের ডাক দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো। কৃষক আন্দোলনের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে সিপিএম পলিটব্যুরো এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, অবিলম্বে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসুক কেন্দ্রীয় সরকার। সংযুক্ত কিসান মোর্চা এবং কিসান মজদুর মোর্চা আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ নিয়ে বৈঠকে করেছে।
সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিতে কেন্দ্র বিরোধী কিসান মহাপঞ্চায়েতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে খানৌরি সীমানায় আমরণ অনশন শুরু করেছেন কৃষক নেতা জগজিৎ সিং ডাল্লেওয়াল। সেই জন্য খানৌরিকে মহাপঞ্চায়েত স্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।







