
বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি ভেবে বাবা ছেলেকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে উঠেছে হরিয়ানা পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের মারে তাঁদের সারা শরীরে কালশিটে পড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। মোবাইল কেড়ে নিয়ে তা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বনগাঁর গোপালনগরের বাসিন্দা সাধন দাস তাঁর পরিবার নিয়ে হরিয়ানার গুরুগ্রামে থাকতেন। নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত সাধন ৪ বছর ধরে হরিয়ানায় রয়েছেন। ২৭ জুলাই কাজে যাওয়ার সময় পথ আটকায় হরিয়ানা পুলিশ। সেই সময় বাংলায় উত্তর দেওয়ায় বেধড়ক লাঠিপেটা করে পুলিশ। এলাকা ছাড়তে বলা হয়। এরপর কোনওরকমে ছেলে-বউমাকে নিয়ে পালিয়ে এসেছেন সাধন। তাঁর ছেলে সৌভিকের শরীরেও কালশিটে পড়েছে। পুলিশের থেকে বাঁচতে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে ৩ দিন পালিয়েছিলেন। কোনওমতে হরিয়ানা থেকে বনগাঁয় ফিরেছেন সাধন ও তাঁর পরিবার। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাবা-ছেলে। অন্যদিকে বাংলা বলায় গাজিয়াবাদে শীতলকুচির বাসিন্দা মোমিন মিয়াকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
এদিকে বিজেপি শাসিত রাজ্য হরিয়ানা থেকে দলে দলে কোচবিহারে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বাংলাভাষীদের হেনস্থার অভিযোগে উঠতেই আতঙ্কে বাস ভাড়া করে হরিয়ানা থেকে তুফানগঞ্জে ফিরেছেন ১০৩ জন পরিযায়ী শ্রমিক।






