ক্ষতিকর কন্টেন্ট দূরে রাখার চেষ্টায় ফেসবুক

0
5

ক্ষতিকর কন্টেন্ট থেকে কিশোর বয়সীদের দূরে রাখার চেষ্টার অংশ হিসেবে নিজস্ব অ্যাপগুলোতে নতুন ফিচার আনবে শীর্ষ সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক।

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম কীভাবে কিশোর বয়সীদের মানসিক স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে তা খতিয়ে দেখছেন মার্কিন আইন প্রণেতারা। ফেইসবুকের প্রাক্তন কর্মী ফ্রান্সেস হাউগেনের ফাঁস করা অভ্যন্তরীণ গবেষণা রিপোর্ট  ও নথিপত্রের জেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখেও পড়েছে ফেসবুক। এমন পরিস্থিতিতে নতুন এ খবর জানিয়েছেন ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগ।কন্টেন্টের বিস্তৃতিতে ব্যবহৃত ফেসবুক অ্যালগরিদমেও নিয়ন্ত্রকদের প্রবেশাধিকার দিতে আপত্তি নেই ক্লেগের। গোটা বিষয়টি নিয়ে ভাবতে রাজি তিনি।তবে, জানুয়ারিতে আমেরিকার ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় আক্রমণকারীদের বক্তব্য ছড়িয়ে দিতে ফেসবুকের অ্যালগরিদম ভূমিকা রেখেছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ওই ফেসবুক ভাইস প্রেসিডেন্ট ।ক্লেগের মতে, অ্যালগরিদমকে যদি প্রয়োজন পড়ে, নীতির মাধ্যমে অবশ্যই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিত, যাতে মানুষ মিলিয়ে দেখতে পারেন ফেসবুকের সিস্টেম তাদের ব্যাপারে কী বলছে এবং আদতে কী হচ্ছে।৫ অক্টোবর সিনেটে সাক্ষ্য দিয়েছেন ফেসবুকের প্রাক্তন কর্মী ও তথ্য ফাঁসকারী ফ্রান্সেস হাউগেন। সেখানে তিনি তুলে ধরেছেন, কীভাবে প্রতিষ্ঠানটি মানুষকে স্ক্রলিংয়ের জালে আটকে রাখে, কিশোর বয়সীদের স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ফেসবুক যে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের চাইল্ড ভার্সন,ইনস্টাগ্রাম কিডস তৈরির পরিকল্পনায় রাশ টেনেছে এবং কিশোর বয়সীদের উপর নজর রাখতে অভিভাবকদের জন্য নতুন ফিচার আনছে,সেকথাও বলেছেন ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট  নিক ক্লেগ।