দ. আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে ষোলোতে কানাডা

0
33
ছবি সৌজন্যে : এক্স

বল জালে জড়ানোর জন্য চেষ্টার কমতি রাখল না কোন দলই। একের পর এক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে আসছিল না শুধু গোল। নির্ধারিত সময় শেষে যখন সবাই অতিরিক্ত সময়ের অপেক্ষায় তখনই অবিশ্বাস্য শটে বল জালে জড়ালেন কানাডার অধিনায়ক স্টিভেন ইউস্টাকিও।

এই এক গোলের জয়েই সাউথ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কানাডা।ম্যাচের শুরু থেকেই ২২ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে কানাডা। বাঁ প্রান্ত ধরে দ্রুত আক্রমণে উঠে ওলুয়াসেয়ির পাস থেকে বল পেয়েছিলেন লাড়িয়া।কিন্তু তিনি বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই ফাউলের শিকার হলে সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায় স্বাগতিকরা। ইউস্টাকিওর বাড়ানো দর্শনীয় ক্রসে ডি-বক্সের ভেতর সম্পূর্ণ আনমার্কড অবস্থায় ছিলেন ডেরেক কর্নেলিয়াস। কিন্তু বড়সড় গড়নের এই সেন্টার ব্যাক ঠিকঠাক হেড করতে না পারায় বল মাটিতে ড্রপ খেয়ে সরাসরি জমা পড়ে গোলরক্ষক উইলিয়ামসের গ্লাভসে।৩৬ মিনিটে আরও একবার ভাগ্য জোরে বেঁচে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।প্রোটিয়া ডিফেন্ডার এমবোকাজির এক মারাত্মক ভুল পাসে বল পেয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠে কানাডা। তবে ডি-বক্সের মাথায় এসে সালাবা শেষ মুহূর্তে সঠিক পাসটি বাড়াতে না পারায় সে যাত্রা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা।বিরতির ঠিক আগে, ৪৩ মিনিটে কানাডার একটি কর্নারকে কেন্দ্র করে প্রোটিয়া বক্সে রীতিমতো তুলকালাম লেগে যায়।মোমবিতোর হেডারে বল জালের দিকেই ছুটছিল, তবে একদম গোললাইন থেকে বাঁ পায়ে তা ক্লিয়ার করেন মোদিবা। বিরতি থেকে ফিরেও দক্ষিণ আফ্রিকার ত্রাতা হয়ে ছিলেন সেই উইলিয়ামস। ৬৫ মিনিটে জোনাথন ডেভিডের নেওয়া শট পা বাড়িয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক। এরপরও ফিরতি বল থেকে গোল হতে পারত, তবে এবার গোললাইন থেকে দলকে রক্ষা করেন এমবোকাজি।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একের পর এক সেভ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন উইলিয়ামস। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে ইউস্টাকিওর ওই এক গোলের কাছেই ভাঙল প্রোটিয়াদের রক্ষণ দুর্গ, আর উল্লাসে মাতল কানাডা।এখন শেষ ষোলোয় ৪ জুলাই কানাডার প্রতিপক্ষ হতে পারে মরক্কো অথবা নেদারল্যান্ডস।