
বাংলা ভাগের ছবি করতে গেলে গবেষণা করতে হয়। নাম না করেই বিবেক অগ্নিহোত্রীর দ্য বেঙ্গল ফাইলস নিয়ে মুখ খুলেছেন পরিচালক গৌতম ঘোষ। রবিবার এক ভিডিওবার্তায় দেশভাগের যন্ত্রণার ইতিহাস তুলে ধরেন তিনি। স্বাধীনতা সংগ্রামের পুরোভাগে বাংলা থাকলেও কীভাবে তাকেই দেশভাগের শিকার হতে হয়েছিল তাও বলেছেন চিত্রপরিচালক।
তবে নিজের বক্তব্যে দ্য বেঙ্গল ফাইলস নিয়ে একবারও বিবেক অগ্নিহোত্রীর নাম উল্লেখ করেননি গৌতম ঘোষ। ১৯৪৭ সালে আসলে বাংলা এবং পাঞ্জাবকে ভাগ করা হয়েছিল। যে দেশের মানুষরা সব থেকে বেশি লড়াই করেছিল ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। তাদেরকেই ভাগ করা হয়। তাঁর সংযোজন বাংলাকে অনেকবার অপদস্থ, হেনস্থা করার চেষ্টা আগেও হয়েছে, কিন্তু সম্ভব হয়নি, ভবিষ্যতেই হবে না। বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা বলতেও শোনা গিয়েছে গৌতম ঘোষকে। বাইট: গৌতম ঘোষ চলচ্চিত্রের নির্মাতার ভেক ধরে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ালে তাকে শিল্পীর পর্যায়ে ফেলা যায় না। বিবেক অগ্নিহোত্রীর দ্য বেঙ্গল ফাইলস নিয়ে এবার গর্জে উঠেছেন দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের তরফে অনন্যা চক্রবর্তী, হরনাথ চক্রবর্তীরা বলেছেন চলচ্চিত্র পরিচালকের কাজের ওপর হস্তক্ষেপ কোনও গণতান্ত্রিক চেতনা সম্পন্ন মানুষ কখনই সমর্থন করবেন না।
কিন্তু চলচ্চিত্রের নামে দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার কাজ হলে সামাজিক সুস্থিতি বিনষ্ট করতে পারে। তাঁরা আরও বলেছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী যদি বিবেক সম্পন্ন কোনও চলচ্চিত্রকার হন তাহলে তিনি ভিন রাজ্যে বাঙালিদের ওপর অত্যাচার নিয়ে একটা বিজেপি ফাইলস করছেন না কেন। মণিপুরে যা হচ্ছে তা নিয়ে তো মণিপুর ফাইলস বানাতে পারেন।








