
তিন বছরে ২৫০ কোটি টাকা দিয়ে মোট ৬৮ লক্ষ কেজি ভেজাল ঘি কেনা হয়েছিল তিরুপতি মন্দিরে! প্রসাদী লাড্ডু বানাতে ব্যবহার করা হয়েছিল সেই ভেজাল ঘি-ই। চূড়ান্ত চার্জশিটে এমনটাই দাবি করেছে সিবিআই।
তিরুপতির ভেজাল ঘি মামলার তদন্তে গত শুক্রবার নেলোরের দুর্নীতিদমন আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। ৩৬ জনের নাম রাখা হয়েছে অভিযুক্তের তালিকায়। তাতে রয়েছেন মন্দির পরিচালন কমিটির ন’জন। এ ছাড়াও, পাঁচ জন দুগ্ধ বিশেষজ্ঞেরও নাম রয়েছে চার্জশিটে।
চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মন্দিরে প্রায় ৬৮ লক্ষ কেজি ভেজাল ঘি সরবরাহ করা হয়েছিল, যার বাজারদর প্রায় ২৫০ কোটি টাকা! দুধ কিংবা মাখন থেকে নয়, বরং রাসায়নিক মিশিয়ে একটি ঘি-সদৃশ পদার্থ তৈরি করা হয়েছিল। চার্জশিটে আরও দাবি করা হয়েছে, উত্তরাখণ্ডের যে ডেয়ারি থেকে তিরুপতির মন্দিরে ঘি আসত, সেখানকার পরিত্যক্ত ট্যাঙ্কারগুলিতে পশুচর্বি পাওয়া গিয়েছে।
