
অধিকৃত কাশ্মীরে ৬০০-র বেশি মানবাধিকার কর্মীকে গ্রেপ্তারের পর বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে। এই হামলায় একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
এমনটাই জানিয়েছে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের, পিটিআই, পিওকে ইউনিট। দাবি অনুযায়ী, অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের মৌলিক অধিকার ও আটক কর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন তারা। যেখানে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন শয়ে শয়ে মানুষ। মহিলা ও শিশুরাও ছিল এই বিক্ষোভে। তাঁদের অভিযোগ, মীরপুর জেলায় এই বিক্ষোভ চলাকালীন পাক পুলিশ ও রেঞ্জার্সরা বল প্রয়োগ করে বিক্ষোভকারীদের হঠানোর চেষ্টা করে করে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা।
এদিকে এই হামলা এমন সময়ে ঘটল যখন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি, জেএএসি-র আন্দোলন ব্যাপক আকার নিয়েছে। শুধু তাই নয়, স্বাধীন কাশ্মীরের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারের মানুষ। এই পরিস্থিতির মাঝেই জেএএসি-র শীর্ষ নেতা সর্দার আমান খানের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হতে শুরু করেছে। যেখানে বিশাল জনতার মাঝে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি, পাক সরকারের দমনপীড়ন, খাদ্যাভাব এবং দুর্দশার কথা তুলে ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
