
রোমান ক্যাথলিক চার্চের পোপ নির্বাচিত হয়েছেন রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট। ২৬৭তম পোপ নির্বাচিত হওয়ার পরে তাঁর নাম হয়েছে পোপ লিও ,চতুর্দশ। এই প্রথম কোনও আমেরিকান পোপের আসনে বসলেন।১০০ কোটিরও অধিক রোমান ক্যাথলিক অনুসরণকারীদের প্রধান হওয়ার পরে তাঁর বার্তা, আপনাদের মনে শান্তি বিরাজ করুক। তবে পোপ ফ্রান্সিসের মতো তিনি সমকামী, উভকামী ও ট্রান্সজেন্ডার ক্যাথলিকদের প্রতি উন্মুক্ত মনোভাব পোষণ করবেন কি না, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
এর আগে ১৩৩ জন বিশপের উপস্থিতিতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার পরেই রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট নির্বাচিত হয়েছেন পোপের পদে।তবে বিশপদের মধ্যে বিস্তর মতভেদ থাকার কারণে পোপ নির্বাচনে ঐকমত্যে পৌঁছোনো খুব সহজ ছিল না। গির্জার ভবিষ্যৎ নিয়েও বিভিন্ন মত ছিল।জানা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে যত কনক্লেভ হয়েছে তার মধ্যে এত জন বিশপের জমায়েত হওয়ার নজির নেই। এদিকে নবনির্বাচিত পোপ প্রিভোস্ট আমেরিকান বংশোদ্ভূত হলেও তিনি আমেরিকাতে খুব কমই থেকেছেন।প্রিভোস্ট গত দু’ দশক ধরে পেরুর নাগরিক হিসেবে বসবাস করতেন।সেখানে শিক্ষক এবং বিশপের ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি।তার আগে রোমের পন্টিফিকাল ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট থমাস অ্যাকুইনাস থেকে যাজক অনুশাসন ক্যানন আইন বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি।শুধু তা-ই নয়,ধর্মীয় নেতা অগাস্টিনিয়ান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্তরেও তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল।
পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ধর্মীয় ব্যবস্থা’র নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি।ভ্যাটিক্যানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিশ্ব জুড়ে বিশপ নির্বাচন ও তাঁদের পরিচালনা করতেন লিও। বিশপপদে থাকাকালীন সীমানা অতিক্রমকারী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। গত বছর ভ্যাটিক্যানের সাইট থেকে তিনি লিখেছিলেন,বিশপ মানে ছোট রাজপুত্র নন, যিনি নিজের রাজ্যে বসে আছেন।
