
পোলাও, বিরিয়ানি, পায়েস বা ডাল চচ্চড়ি,অধিকাংশ রান্নাতেই তেজপাতা দেন রাঁধুনিরা।শুধু রান্নার স্বাদ বাড়িয়ে তোলাই নয়,শরীর ভালো রাখতেও তেজপাতার জুড়ি নেই। ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে,হার্টের সমস্যা রুখতেও তেজপাতা ভীষণ উপকারী।তবে পাতে এই তেজপাতা দেখলে অনেকেই রেগে যান।
তেজপাতা পুড়িয়ে অনেকেই আবার সেই ঘ্রাণ নিয়ে থাকেন। এই পাতার মধ্যে যে তেল থাকে, তা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।আসলে তেজপাতায় বিশেষ এক ধরনের উৎসেচক রয়েছে,যা খাবার হজম করাতে সাহায্য করে।এ ছাড়া পেটফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা নির্মূল করতে পারে তেজপাতা।যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে, তারা তেজপাতার চা খেতে পারেন নিয়মিত।পাশাপাশি,তেজপাতা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে।তাই টাইপ-টু ডায়াবেটিস রুখতে রান্নায় তেজপাতা ব্যবহার করা ভালো।শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করতেও তেজপাতার যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।অন্যদিকে বর্ষাকালে ত্বকে নানা ধরনের ছত্রাকঘটিত সংক্রমণ হয়। একটি করে তেজপাতা চার কাপ জলেতে ফুটিয়ে নিয়ে খেতে পারেন। দিনে চার-পাঁচ বার এই জল খেলে সুফল পাবেন।ওদিকে সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা বা জ্বর-সর্দি উপশমে দারুণ কাজ করে তেজপাতা।তেজপাতার অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণ গলায় সংক্রমণজনিত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে।
রক্তে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের জন্যেই স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তেজপাতার মধ্যে থাকা যৌগগুলো কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
