ফোমো : কিশোরীতরুণীদের অনলাইন আসক্তি?

0
95

অনলাইনে কিশোরীতরুণীরা কোনো না কোনো ভাবে হেনস্তার শিকার হয়ে থাকেন, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই বললেই চলে। এর পরও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তারা বিরতি নেন না, যেটির মূল কারণ ফোমো বা, ফিয়ার অফ মিসিং আউট।

 

অলাভজনক সংস্থা গার্লগাইডিং পরিচালিত গার্লস অ্যাটিটিউড সার্ভে নামের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে, গত বছর সাত থেকে ২১ বছর বয়সী তিন চতুর্থাংশ ,মানে ৭৭ শতাংশ মহিলাই অনলাইনে হেনস্তার শিকার হয়েছেন।এর মধ্যে রয়েছে বাজে মন্তব্য, অল্প বয়সী মহিলাদের অপ্রীতিকর ছবি দেখানো এবং ১১ বছর বা এর বেশি বয়সীদের বুলিয়িং ও হয়রানির মতো ঘটনা।সাইবারস্টকিং’য়ের মতো নেতিবাচক অভিজ্ঞতা দিন দিন আরও নৈমিত্যিক হয়ে উঠছে, যেখানে ১১ থেকে ২১ বছর বয়সী মহিলাদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা ছ’ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ শতাংশে।এমনকি তাদের বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি দেখানোর মাত্রাও নয় শতাংশ থেকে বেড়ে ঠেকেছে ৩৫ শতাংশ।সাত থেকে ২১ বছর বয়সী মহিলারা অনলাইনে এমন লোকজনের খপ্পড়েও পড়েছেন, যারা ভুয়ো পরিচয় দিয়েছেন।আর এর সংখ্যা ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ শতাংশে।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বিকাশ ও বিস্তৃতির বেলাতেও মহিলারা নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।অন্যদিকে ১১ থেকে ২১ বছর বয়সী অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৫৯ শতাংশ মহিলা বলেছেন, এআই ব্যবহার করে হয়ত তাদের ভুয়ো ছবি তৈরি এমনকি অনলাইনে তাদের ছদ্মবেশ ধারণ করার ঝুঁকি আছে, যা নিয়ে তারা আশঙ্কিত।এমন নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মুখে পড়ার পরও ১১ থেকে ২১ বছর বয়সী ৫৭ শতাংশ মহিলা বলেছেন, তারা ফোমো বা, ফিয়ার অফ মিসিং আউট অর্থাৎ কোনো ঘটনা মিস না হয়ে যায়, সে ভয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে যেতে আগ্রহী নন।